ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মেঘনা নদীর তীরবর্তী স্রুইঘাট এলাকায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তেলের গোডাউন, বসতঘর, মুদি দোকান, খাবার হোটেলসহ মোট নয়টি স্থাপনা। এতে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
পুড়ে ছাই
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির বহরপুর বাজারে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে তেলের মিলসহ প্রায় ১০টি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়নের ধরাইল হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসায় অগ্নিকাণ্ডে টিনের চাল, শিক্ষার্থীদের বিছানাপত্র ও আসবাবপত্রসহ প্রায় সবকিছু পুড়ে গেছে।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের প্রধান বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকালে সংঘটিত এ ঘটনায় প্রাথমিকভাবে ১৫ কোটি টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পানখাইয়া পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি টিনশেড ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দোকানগুলোর মালামাল, আসবাবপত্র ও ব্যবসায়িক সরঞ্জাম পুড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি বসতঘর ও ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, নগদ টাকা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
বান্দরবানের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক দোকান ও বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে মিয়ারহাট বন্দর বাজারে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের দরবার রাস্তার মাথা হায়দার আলী মিয়াজীর পাড়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।